The special miracle of holy Quran.

ইংরেজি ভাষায় This এবং That এর ব্যাবহার অনেকেই অবগত আছেন।

নিকটবর্তী কোন ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রতি নির্দেশ করতে This ব্যাবহার করা হয় এবং দূরবর্তী ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রতি নির্দেশ করতে That ব্যাবহার করা হয়।

বাংলায় যেমন (এইটা এবং ঐইটা) ব্যাবহার করার প্রচলন আছে।

অনুরুপ ভাবে আরবি ভাষায় রয়েছে (হাজা & জালিকা) শব্দের ব্যাবহার।

অর্থাৎ আরবি ভাষায় কাছের বা নিকটবর্তী কোন ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রতি নির্দেশ করতে (হাজা) এবং দূরের বা দূরবর্তী কোন ব্যাক্তি বাস্তুর প্রতি নির্দেশ করতে (জালিকা) শব্দ ব্যাবহার করা হয়।

বন্ধুগণ,
এবার আসা যাক মূল কথায়।
বিশ্ব জগতের মহান প্রতিপালক আল্লাহ রাব্বুল আলামিন, মানবজাতির জন্য হেদায়েতের জন্য সর্বশেষ ও চূড়ান্ত জীবন বিধান হিসেবে, আসমানী কিতাব পবিত্র কুরআন মাজিদ নাযিল করেন আরবি ভাষায়।

৬১০ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু করে, দীর্ঘ ২৩ বছরে, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাতু সালামের মাধ্যমে মহানবী সাঃ এর কাছে পবিত্র কোরআন মজিদ নাজিল হয়ে, আজ অবধি অবিকৃত অবস্থায় আমাদের সমাজে বিদ্যমান রয়েছে।

পবিত্র কুরআন মাজিদের ৪১তম, সূরাহ হা-মীম আস সিজদাহর ৩ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন।

کِتٰبٌ فُصِّلَتۡ اٰیٰتُہٗ قُرۡاٰنًا عَرَبِیًّا لِّقَوۡمٍ یَّعۡلَمُوۡن (۳)
কিতা-বুন ফুসসিলাত আ-য়া-তুহূকুরআ-নান ‘আরাবিইয়াল লিকাওমিইঁ ইয়া‘লামূন।

এটা এক কিতাব, বিশদভাবে বিবৃত হয়েছে এর আয়াতসমূহ আরাবী ভাষায়, কুরআনরূপে জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য

A Book whereof the Verses are explained in detail; A Quran in Arabic for people who know.

৬৬৬৬ আয়াত বিশিষ্ট মহাগ্রন্থ, পবিত্র কোরআন মাজিদের সর্বপ্রথম যে শব্দটি ব্যবহার করা হয় আসুন এবার দেখে নিই শব্দটা কি?

সকলেই জানেন যে এই শব্দটি হচ্ছে জালিকা।

অর্থাৎ কুরআনের প্রথম আয়াত, (জালিকাল কিতাবু লা রাইবা ফি)।

অর্থাৎ এই মহাগ্রন্থ এমন একটি বিধান যার মধ্যে বিন্ধু পরিমান ত্রুটিতো নেই, এমনকি ত্রুটি আছে এই বিষয়ে সন্ধেহ করারও কোন অবকাশ নেই।

বরং মহান এই ঐশীগ্রন্থের প্রতিটি আয়াত প্রতিটি শব্দ প্রতিটি বর্ণ এমনকি প্রতিটি বিন্দুরও রয়েছে আলাদা স্বতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ মিরাকেল বা অলৈকিক বৈশিষ্ট্য।

এই মহাগ্রন্থের শুরুতে মহাজ্ঞানী আল্লাহ রাব্বুল আলামিন, যে শব্দটি ব্যবহার করেন আসুন জেনে নিই, এই শব্দটির গুরুত্বপূর্ণ অলৈকিক বৈশিষ্ট্য কি?

বন্ধুগন,
লক্ষ করে থাকবেন, পূর্বেই আলোচনা করেছি (হাজা এবং জালিকা) এই দুইটি শব্দ, যা একই বস্তুর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র দূরে ও কাছে নির্দেশ করতে ব্যাবহার করা হয়।

হে জ্ঞানীগণ।
এখানেই চিন্তার বিষয়। মহাজ্ঞানী আল্লাহ রব্বুল আলামিন। মহাগ্রন্থের শুরুতে কেন (হাজা) শব্দটি ব্যবহার না করে (জালিকা) শব্দটি ব্যবহার করেছেন। কোরান তো আমাদের থেকে দূরে নয়? জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের একেবারেই হাতের কাছে রয়েছে এ মহাগ্রন্থ। তবে তাহলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কেন এই এই গ্রন্থটি কাছে না বুঝিয়ে দূরে বুঝালেন?

মহাগ্রন্থ আল-কুরআন ছাপার অক্ষরে যেমনি রয়েছে পৃথিবীর প্রতিটি ঘরে প্রতিটি প্রান্তে,
তেমনি রয়েছে, কোরান প্রেমিক লক্ষ লক্ষ হাফেজের হৃদয়ে। তবুও মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন কোরআনকে কাছে না বুঝিয়ে দূরে এজন্যই বুঝিয়েছেন।
কোরআনের শত্রুতা কারীদের, কোরআন এর বিদ্বেষ পোষণ কারীদের জন্য ইঙ্গিত করে দিয়েছেন যে। কোরআন তোমাদের হাতের কাছে থাকলেও প্রকৃতপক্ষে এই কোরআনের হেফাজতের, কুরআনের মর্যাদা রক্ষা করার দায়িত্ব চাবিকাঠি রয়েছে অনেক দূরে।

মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন।
ইন্না নাহনু নাজ্জালনাজ জিকরা, ওয়া ইন্না লাহু লাহাফেজুন।
নিশ্চয়ই এই মহাগ্রন্থ আমি নিজেই নাযিল করেছি এবং আমি নিজেই এর হেফাজত /রক্ষণাবেক্ষণকারী।
অন্য এক আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন।
বাল হুয়া কুরআনুম মাজীদ ফি লাওহিম মাহফুজ।
ইহা তো সেই মহামান্বিত কোরান, যাহা আমি নিজেই লওহে মাহফুজে সংরক্ষণ করে থাকি।

One thought on “The special miracle of holy Quran.

  1. buy CBD oil says:

    When I initially commented I appear to have clicked the -Notify me when new comments
    are added- checkbox and now every time a comment is added I receive four emails with the same
    comment. There has to be an easy method you can remove me from that service?
    Thanks a lot!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *